মঙ্গলবার উত্তর দিনাজপুর জেলা সফরে এলেন বিজেপি সাংসদ রুপা গাঙ্গুলী। নির্যাতিতা আদিবাসী মহিলাদের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে পুলিশ প্রশাসন পথ আটকালো বিজেপি সাংসদ রূপা গাঙ্গুলীর। এদিন তিনি প্রথমে চোপড়ায় মৃত বিজেপি কর্মী বিজয় সিংহ এর পরিবারের সাথে দেখা করেন। তাদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন রুপা গাঙ্গুলী। এরপর সড়ক পথে রায়গঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কিন্তু নির্যাতিতা আদিবাসী মহিলাদের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে হেনস্থার শিকার হন বিজেপি সাংসদ রূপা গাঙ্গুলী। পুলিশ তাকে সেই নির্যাতিতার বাড়ির অনেক আগেই তাঁর পথ আটকায়। বিজেপি নেত্রীর এই প্রশ্নের কোনও সঠিক উত্তর পুলিশ দিতে পারেনি বলে অভিযোগ। এরপরই পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন রূপা।এমনকি তাকে ভিড়ের মধ্যে কেউ তাকে ঘুসি মারে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।
চোপড়ায় রূপা দেবী বলেন, রাজ্যের পাশাপাশি এই জেলাতেও শাসক দল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদের ওপর আঘাত হানছে। আমরা এর তীব্র ধিক্কার জানাই এবং জেলার বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের পাশে দাঁড়িয়ে লড়াই আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
উল্লেখ্য গত ৯ জুলাই রায়গঞ্জ পুর বাসস্ট্যান্ডের বিশ্রামাগারে কয়েকজন দুষ্কৃতী আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে আদিবাসী মহিলার উপর অত্যাচার করে। এর মধ্যে দু’জন নাবালিকাও ছিল বলে জানা গেছে। অভিযোগ, এদের ধর্ষণ করে দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ এখন পর্যন্ত মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। আদিবাসীরা দুষ্কৃতিকারিদের শাস্তির দাবীতে রায়গঞ্জে বিক্ষোভ দেখায়। বিক্ষোভের জেরে গাড়ি, বাইক, দোকান ভাঙচুর করা হয়, পুর বাস স্ট্যান্ডে আগুন ধরিয়ে দেয়। এই ঘটনার জেরে অশান্ত হয়ে ওঠে রায়গঞ্জ শহর। আদিবাসীদের তাণ্ডবের পর বিক্ষোভ দেখান ব্যবসায়ীরাও।